sponsor

sponsor

Slider

Categories

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Blog Archive

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Archive

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Author Details

Templatesyard is a blogger resources site is a provider of high quality blogger template with premium looking layout and robust design. The main mission of templatesyard is to provide the best quality blogger templates which are professionally designed and perfectlly seo optimized to deliver best result for your blog.

Breaking

Fashion

News

Food

Sports

Food

Technology

Featured

Sponsor

ads

Videos

Text Widget

Sample Text

Contact Form

Name

Email *

Message *

Categories

Breaking News

Popular

Responsive Ads Here

Popular Posts

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

» »Unlabelled » কে সবচেয়ে দামি ফুটবলার???

বিশ্বকাপের বছরে অনেক তারকা ফুটবলারের বাজারদর হঠাৎ করে বেড়ে যায়, আবার কারো কমে যায়। বিশ্বকাপ শুরুর আগে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ফুটবল গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর স্পোর্টস স্টাডিজ (সিইএস) নিজস্ব জরিপের ভিত্তিতে প্রকাশ করেছে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলারদের তালিকা।

আগামী মৌসুমে যাদের বাজারদর থাকবে অনেক উঁচুতে। বিস্ময়করভাবে এ তালিকায় প্রথম ২০ জনের মধ্যে নাম নেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর! তিনি আছেন ২৪ নম্বরে। বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় এখন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন। টটেনহ্যাম ফরোয়ার্ডের সম্ভাব্য বাজারমূল্য ২০১.২ মিলিয়ন ইউরো। এমনকি লিওনেল মেসিও এ তালিকায় চার নম্বরে। দু’নম্বরে আছেন নেইমরা। তার বাজারমূল্য ১৯৫.৭ মিলিয়ন ইউরো।
তিন নম্বরে থাকা ফ্রান্সের উদীয়মান তারকা স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপ্পের দাম ১৮৬.৫ মিলিয়ন ইউরো। মেসির দাম ধরা হয়েছে ১৮২.২ মিলিয়ন ইউরো। তার পেছনেই আছেন মোহামেদ সালাহ। মিসর ও লিভারপুল তারকার দাম ১৭১.৩ মিলিয়ন ইউরো।

এছাড়া শীর্ষ দশে আছেন ডেলে আলি, কেভিন ডি ব্রুইন, আঁতোয়া গ্রিজমান, পাওলো দিবালা এবং রোমেলু লুকাকু। ২০ নম্বরে আছেন ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন। ২৪ নম্বরে থাকা রোনাল্ডোর বর্তমান বাজারদর ১০৩.৪ মিলিয়ন ইউরো।



ফুটবলার হলে বোল্ট হতেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ!

পেশাদার ফুটবলার হলে লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোর সম্মিলিত দক্ষতা থাকতো বলে দাবি করেছেন স্প্রিন্ট কিং উসাইন বোল্ট।

মেসি কিংবা রোনাল্ডো হতে চান কিনা- প্রশ্নের জবাবে আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ভাইভাকে কিংবদন্তী এই স্প্রিন্ট সুপারস্টার বলেন, ‘আমি হতাম তাদের দুই জনের ভালো সংমিশ্রণ। এই দুই জনের মেধার সংমিশ্রনে যা হতো সেটি হতাম আমি। যার সঙ্গে আমার গতিকে কাজে লাগিয়ে আমি হতাম সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ।’

বোল্ট প্রায়ই স্বপ্ন দেখেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ফুটবল খেলার। বিশ্বের দ্রুততম এই মানব বলেন, ‘তারা যদি আমাকে ডেকে বলতো, এখন আমাদের তোমাকে দরকার, তাহলে পরের ফ্লাইটেই আমি ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে উড়াল দিতাম।’

সাবেক ফুটবলার উইয়াহ লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট
রয়টার্স

আফ্রিকার একমাত্র ব্যালন ডি’অর জয়ী ফুটবলার জর্জ উইয়াহ লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৫ সালে ইউরোপের বাইরের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’অর জেতেন পিএসজি ও এসি মিলানের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার উইয়াহ। ১৮ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ার শেষ হয় ২০০৩ সালে। পরে যোগ দেন রাজনীতিতে। বর্তমানে তিনি লাইবেরিয়ার পার্লামেন্টের একজন সিনেটর।

বৃহস্পতিবার লাইবেরিয়ার জাতীয় নির্বাচন কমিশন উইয়াহকে জয়ী ঘোষণা করে। ৯৮.১ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ৫১ বছর বয়সী উইয়াহ ৬১.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। উইয়াহকে বিজয় ঘোষণার পর রাজধানী মনরোভিয়ায় তার সমর্থকেরা উৎসব শুরু করেছেন। লাইবেরিয়ার নির্বাচিত প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট এলেন জনসন স্যারলিফের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।

নির্বাচনে জয়লাভের পর এক টুইটে তিনি বলেন, ‘আমার প্রিয় লাইবেরিয়াবাসী, পুরো জাতির জন্য আমি আবেগাপ্লুত। আমাকে আজ যে বিশাল দায়িত্ব দেয়া হলো তার গুরুত্ব ও দায়দায়িত্ব আমি বুঝতে পারছি।’ নব্বইয়ের দশকে উইয়াহ ছিলেন বিশ্বের সেরা স্ট্রাইকারদের একজন। তিনি ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার পুরস্কারও জিতেছেন।

১৯৮৮ সালে মোনাকোর হয়ে খেলতে প্রথম ইউরোপে আসেন উইয়াহ, সেখানে তিনি ৪৭ গোল করেন। মোনাকো থেকে ফ্রান্সেরই আরেক দল পিএসজিতে যোগ দিয়ে ১৯৯৪ সালে লিগ শিরোপা জেতেন। পরের বছর হন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা। সে বছরই যোগ দেন ইতালির দল এসি মিলানে। এসি মিলানের হয়ে প্রথম মওসুমেই জেতেন সেরি আর শিরোপা। দ্বিতীয়বার জেতেন ১৯৯৯ সালে। পরে পাড়ি জমান ইংল্যান্ডে। অল্প সময়ের জন্য খেলেন চেলসি ও ম্যানচেস্টার সিটিতে।

১৯৯৫ সালের আগে ইউরোপের বাইরে কোনো ফুটবলারকে ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করার হতো না। নিয়ম বদলানোর পর উইয়াহ তা জেতেন। তার পর আফ্রিকার আর কোনো ফুটবলার এ সম্মান পাননি। তবে কাবে দারুণ সাফল্য পেলেও কখনো বিশ্বকাপের চূড়ান্তে পর্বে খেলা হয়নি তার।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply