sponsor

sponsor

Slider

Categories

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Archive

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Author Details

Templatesyard is a blogger resources site is a provider of high quality blogger template with premium looking layout and robust design. The main mission of templatesyard is to provide the best quality blogger templates which are professionally designed and perfectlly seo optimized to deliver best result for your blog.

Breaking

Fashion

News

Food

Sports

Food

Technology

Featured

Sponsor

ads

Videos

Text Widget

Sample Text

Contact Form

Name

Email *

Message *

Categories

Breaking News

Popular

Responsive Ads Here

Popular Posts

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

» » » দেখতে ইলিশের মতো এসব আসলে, কী মাছ???

দেখতে ইলিশের মতো এসব আসলে, কী মাছ???


বাংলাদেশের বাজারে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত সব মাছ শতভাগ পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছে সরকারের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটি দাবি করছে, বাংলাদেশের বাজারে যেসব মাছ আসে সেসব মাছের মধ্যে সীসা বা লেড এবং ক্রোমিয়াম ও পারদ রয়েছে যেটা স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।
ঢাকার মাছের বাজারে ইদানিংকালে বিদেশ থেকে আমদানি করা মাছ বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। মাছের মধ্যে ক্ষতিকর এসব রাসায়নিক থাকার কথা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না মাছ-বিক্রেতারাও ।
একজন বিক্রেতা বলছেন, "মনে করেন দেশি মাছের দাম বেশি, বিদেশি মাছের দাম কম। বেশি দামে মাছ কিনতে চায় না তারা। আমাদেরও বেচার জন্য তখন বিদেশি মাছকে দেশি মাছ বলতে হয়।"
বাংলাদেশ মূলত ওমান, ইয়েমেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, পাকিস্তান, ভারত মিয়ানমার থেকে মাছ এবং মাছ-জাত পণ্য আমদানি করছে।
রুই, বোয়াল মাছ যেমন আসছে, তেমনি ইলিশ মাছের মতো দেখতে চন্দনা বা চান্দিনা নামের এক ধরণের মাছ আসছে যেটা আসলে ইলিশ না।
অনেক ক্ষেত্রে পহেলা বৈশাখকে টার্গেট করে এই নকল ইলিশ মাছ বাংলাদেশের বাজারে আসে বলে জানাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
কিন্তু এসব মাছের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ সরকারের একটি সংস্থা, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।
প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মকর্তা মাহবুব কবির মিলন বলেছেন, এই মাছগুলো পরীক্ষা করে দেখা গেছে এতে ক্ষতিকর যেসব রাসায়নিক রয়েছে যেটা জনস্বাস্থ্যের জন্য বিরাট হুমকির কারণ।
"বাজারে যে মাছগুলো রয়েছে সেগুলোতে হেভি মেটাল পাওয়া যাচ্ছে। যেগুলো মারাত্মক। মৎস্য অধিদপ্তর থেকে যে লিমিট ঠিক করে দেয়া আছে সেটা হল ০.৩ ??। কিন্তু আমরা মাছ টেস্ট করে পেয়েছি চার,পাঁচ গুণ বেশি রাসয়নিক। এই জিনিসগুলো তো আমাদের শরীরকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।"
ঢাকার বাজারে বিক্রি হচ্ছে বার্মিজ রুই। এসব মাছের মধ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকার কথা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না মাছ-বিক্রেতারাও।
বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানাচ্ছেন, বছরে প্রায় গড়ে ৫০,০০০ টন মাছ বাংলাদেশ আমদানি করে।
কীভাবে মাছ গুলো এতটা দূষিত হচ্ছে?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎসবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. মো.মনিরুল ইসলাম বলছেন, মাছ চাষের পদ্ধতির ওপর দূষণের মাত্রা নির্ভর করে।
"এটা নির্ভর করছে যেদেশ থেকে মাছ আনছে সে দেশে চাষ পদ্ধতিটা কী ধরণের তার উপরে। সীসার মাত্রা যেহেতু বেশি তার মানে পানি এবং মাছের খাবারে ভেজাল ছিল। এই মাছ গুলো যদি না খেয়ে ফেলে দেয়া হয়, সেটাও পরিবেশের ক্ষতি করবে," বলেন ইসলাম।
এদিকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এ চিঠিতে আমদানিকৃত এসব মাছের চালান ল্যাবরেটরি টেস্টের ফলাফল ছাড়া খালাস না করার আহ্বান জানিয়েছে।
ক্ষতিকর রাসায়নিক যুক্ত বিদেশি মাছ চিনতে না পারার ব্যাপারে এবং এর ক্ষতিকর দিক নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বলছে আমদানিকৃত সব প্রকার মাছ বন্দর থেকে খালাসের আগে অ্যাটমিক এনার্জি সেন্টার, বিসিএসআইআর, বা ফিশ কন্ট্রোল ল্যাব, থেকে পরীক্ষা করে লেড, ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়াম ও মার্কারির পরিমাণ মৎস্য অধিদফতর কর্তৃক নির্ধারিত মাত্রার ভেতর পাওয়া গেলে তবেই মাছ খালাসের অনুমতি প্রদানের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে



ডু মোর ডিফারেন্ট স্লোগানে বাংলাদেশে আগামী বৃহস্পতিবার যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে কানাডিয়ান স্মার্টফোন কোম্পানি ব্ল্যাকবেরি। ভারতীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠান অপটিমাস ইনফ্রাকম লিমিটেড রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ব্ল্যাকবেরির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবে।



উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অপটিমাস ইনফ্রাকম লিমিটেডের চেয়ারম্যান অশোক কুমার গুপ্ত, সিপিএল-এর চেয়ারম্যান রাকিবুল কবুর, ব্ল্যাকবেরির মোবিলিটি সল্যুশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্স তুরবারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকবেন।


এর আগে ২০১৪ সালে নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশে ব্ল্যাকবেরির সার্ভিস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।


বাংলাদেশে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে সেবাটি নিয়ে আসে গ্রামীণফোন। পরে দুই বছর আগে এর সঙ্গে যুক্ত হয় এয়ারটেলও। বাংলাদেশের মতো ভারত, সৌদি আরব ও চীনেও একই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল ব্ল্যাকবেরি কর্তৃপক্ষ।


এদিকে ২০১৬ সালে নতুন ব্ল্যাকবেরি বাংলাদেশে বিক্রি করা হবে না বলে এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি এই তথ্য জানিয়েছিল। বাংলাদেশে ছাড়াও ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং ইন্দোনেশিয়াতে ব্ল্যাকবেরি ফোন বিক্রি করা হবে না বলে জানানো হয়েছিল।


প্রমাণে ব্যর্থ রাষ্ট্রপক্ষ



জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম  খালেদা জিয়ার পক্ষে চতুর্থ দিনের মতো যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানিতে বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক খান বলেন, এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই এ মামলা থেকে তার খালাস চাই। তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জীবনে এ মামলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুদক কেন এ মামলা বেছে নিলো, দুদকের কাছে এর কোনো জবাব নাই। দুনিয়ার মামলা রয়েছে কিন্তু উনিশ বছর পর দুদক এ মামলা নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করলো। ভালোভাবেই দৌড়ঝাঁপ করতে পারতো। তিনি বলেন, এই মামলার অনুসন্ধান করলেন দুদকের একজন সিনিয়র অফিসার। সেটার তদারকি করলেন একজন সুপিরিয়র অফিসার। দুদকের তরফ থেকে অবশ্যই কৈফিয়ত আসা উচিত ছিল। তিনি আরো বলেন, এই টাকা আকাশে ভাসতে ভাসতে আসে নাই। অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা আছে, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী (মরহুম) মোস্তাফিজুর রহমানের মাধ্যমে এই টাকা এসেছে। সাক্ষীরাও এ কথা বলেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার : ক্ষমতা অপব্যবহার করে এ অর্থ আসার কোনো প্রমাণ নেই। মামলার কোনো সাক্ষীও এমন কিছু বলেননি। এই মামলার দায়ের করা অভিযোগের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়া জড়িত ছিলেন না। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য নেই। কোনো সাক্ষীও তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি। বেগম খালেদা জিয়া এই ট্রাস্টের টাকা উঠিয়েছেন বা আত্মসাৎ করেছেন এরকম কোনো তথ্যের প্রমাণ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে দেখানো সম্ভব হয়নি। কিছু ছায়া প্রমাণ দিয়ে মামলা সাজানো হয়েছে। এর কোনো ভিত্তি নেই। সারা দেশে এত মামলা থাকতে দুদক এই মামলার বিষয়ে এত আগ্রহী কেন সে প্রশ্নও রাখেন আবদুর রেজ্জাক খান। : এই মামলার অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদনে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ দাখিল করতে পারেননি উল্লেখ করে আবদুর রেজ্জাক খান বলেন, আশা করি বেগম খালেদা সকল অভিযোগ থেকে খালাস পাবেন। এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের সময়েই বেগম খালেদা জিয়াকে খালাস দেয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা বিশেষ কারণে করা হয়নি। আমি আশা করি স্বাধীনভাবে আপনি ন্যায়বিচার করবেন এবং তিনি খালাস পাবেন। : আদালতে আবদুর রেজ্জাক খান বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ দাখিল করতে না পারায় তিনি সকল অভিযোগ থেকে খালাস পাবেন। এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের সময়েই বেগম খালেদা জিয়াকে খালাস দেয়া উচিত ছিল। আমি আশা করি স্বাধীনভাবে আপনি ন্যায়বিচার করবেন এবং তিনি খালাস পাবেন। : গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর বকশীবাজারের স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত ৫-এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের সামনে বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান এই দাবি করেন। গতকাল বুধবার দুপুর দুইটার দিকে বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান আদালত মূলতবি করেন। এর আগে বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিততে চতুর্থ দিনের মত যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক খান। : গত ২০, ২১, ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবীরা। এর আগে ১৯ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় আজ ২৮ ডিসেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেন আদালত। : যুক্তি উপস্থাপনে আদালতে রেজ্জাক খান বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের জীবনে এটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা। এ মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে রাষ্ট্রপক্ষ ব্যর্থ হয়েছেন। তাই এ মামলা থেকে তার খালাস চাই। : যুক্তি উপস্থাপনে আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক খান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কুয়েতের টাকা রাখার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, এ অভিযোগ প্রমাণশূন্য। শুধু তাই নয়, তার (খালেদা জিয়া) বিরুদ্ধে লিখিত ও মৌখিক কোনো প্রমাণও নেই। : তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করে কুয়েত থেকে আসা টাকা আত্মসাৎ করেছেন, এর কোনো প্রমাণ নেই। মামলার কোনো সাক্ষীও এ বিষয়ে কিছু বলেননি। তিনি আরো বলেন, মামলার এফআইআর-এ আছে বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। এটিও ঠিক নয়। এফআইআর-এর কথা যে বেদের মতো বিশ্বাস করতে হবে তাও ঠিক নয়। আব্দুর রেজ্জাক খান গতকাল তার যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। এরপর বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। তার যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন আদালত। : গতকাল বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানির তৃতীয় দিনে আব্দুর রেজ্জাক খান তার শুনানি শেষ করেন। এরপর শেষে শুনানি করেন বেগম খালেদা জিয়ার অপর আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, আমরা যাই বলি না কেন, সাক্ষ্য প্রমাণে যাই থাকুক না কেন, এটি একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। আজ বৃহস্পতিবার পঞ্চম দিনের মতো বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন এই মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন। : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জবানবন্দির সময়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট আবদুর রাজ্জাক খান, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মাদ আলী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, অ্যাডভোকেট  মাসুদ আহমেদ তালুকদার, অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন, অ্যাডভোকেট  ওমর ফারুক ফারুকী, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান তপন  প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। : অপরদিকে আদালতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আব্দুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, বিএনপি নেতা দীপেন দেওয়ান, সাঈদ সোহরাব, সেলিম রেজা হাবীব, ঢাকা মহানগর যুবদল উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন। : পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে আদালতের আশে পাশে নেতাকর্মীদের ঢল :  জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাষ্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হাজিরা উপলক্ষে আদালতে যাওয়া ও আসার পথে মৎস্য ভবন, হাইকোর্ট, দোয়েল চত্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, চানখাঁরপুল ও আদালত প্রাঙ্গণের আশেপাশের সড়কে বেগম খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িকে ঘিরে ব্যাপক শোডাউন তৈরি করে ঢাকা মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন। গতকাল বুধবার সকাল ১০টা থেকেই এ সব স্থানে নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। আদালত থেকে বের হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মোড়ে আসলে অপেক্ষমাণ দলটির নেতাকর্মীরা তার গাড়িবহরে যুক্ত হন। গাড়িবহর হাইকোর্ট মাজারের সামনে এলে ভেতরে অপেক্ষমাণ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী গাড়িবহরে যোগ দেন। এ সময় বিভিন্ন শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। “খালেদা জিয়া ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই”, “খালেদা জিয়া এগিয়ে চল, আমরা আছি তোমার সাথে”, “জেল জুলুম হুলিয়া, নিতে হবে তুলিয়া” এ ধরনের অসংখ্য শ্লোগান নেতা কর্মীদের কণ্ঠে শোনা যায়। গাড়ি বহরে বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আ ক ম মোজ্জামেল হক, আমিনুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, সহ-সভাপতি ইউনুছ মৃধা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ রবিউল আলম রবি, ঢাকা মহানগর উত্তরের সহ-সভাপতি রবিউল আউয়াল, দফতর সম্পাদক এবিএম রাজ্জাক, জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিবর, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলী, যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম মিল্টন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল রিয়াদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরিফ উদ্দিন জুয়েল, যুবদল দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, ইকতিয়ার কবির, যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহাগ, ওমর ফারুক মুন্না, মেহবুব মাছুম শান্ত, মহসিন বিশ্বাস, কাজী মোখতার হোসেন, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, সহ-সাধারণ সম্পাদিকা আরিফা সুলতানা রুমা, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন, সাধারণ সম্পাদক গাজী রেজওয়ানুল হোসেন রিয়াজ, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি এসএম জিলানী, ঢাকা  বিশ্ববিদ্যাল ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বাশার সিদ্দিকী, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক তানভীর আহমেদ খান ইকরাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দও শোডাউনে অংশ নেন। :








      গোপন রাখবেন যেভাবে ফেসবুক প্রোফাইল

গোপন রাখবেন যেভাবে ফেসবুক প্রোফাইল  যোগেযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে ফেসবুক। তবে এখানে অনেক ব্যবহারকারীই আছেন যারা শুধুমাত্র বন্ধুবান্ধব এবং পরিচিত কাছের লোকেদের নিজের ফ্রেন্ডলিস্টে রাখতে চান। সেইসঙ্গে চান, নিজের বন্ধুরা ছাড়া কেউ যেন তার ফেসবুক প্রোফাইলটাই খুঁজে না পায়।

হ্যাঁ, আপনি চাইলেই আপনার অ্যাকাউন্টে এমনভাবে অপশন সেট করে রাখতে পারবেন, যাতে আপনার বন্ধুরা ছাড়া আর কেউ খুঁজে পাবেন না আপনাকে।
ধাপ-১: প্রথমেই আপনার ফেসবুক প্রোফাইল ওপেন করে একদম ওপরে ডানদিকে যে অ্যারো (arrow) চিহ্নটি রয়েছে, সেটিতে ক্লিক করতে হবে।

ধাপ-২: এরপর স্ক্রিনের বা-দিকে প্রাইভেসি অপশনে ক্লিক করতে হবে।

ধাপ-৩: সেখানে 'Who can contact me' লেখাটি দেখতে পাওয়া যাবে। এই লেখাটির ডানদিকে এডিট অপশনটি থাকবে। এরপর সেখানে ক্লিক করতে হবে এবং 'Everyone' এর বদলে 'Friends of friends' অপশনটি রাখতে হবে। এরফলে আপনার ফ্রেন্ডলিস্টের বন্ধুদের যারা কমন ফ্রেন্ড, তারাই শুধুমাত্র আপনাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবে।

ধাপ-৪: এর ঠিক নিচেই অপশন আছে, 'Who Can Look You Up, Using the Email Address You Provided'। এই অপশনটিতে ক্লিক করে ডানদিকে এডিট অপশনে যেতে হবে। এখানেও 'Everyone' এর বদলে 'Friends of friends' অথবা 'Friends' অপশনটি রাখতে হবে।

ধাপ-৫: একইরকমভাবে 'Who Can Look You Up Using the Phone Number You Provided' অপশনটিও এডিট করতে হবে।

ধাপ-৬: ওপরের সমস্ত অপশনগুলো ঠিকমতো সিলেক্ট হয়ে গেলে একটি বক্স আসবে, যাতে লেখা থাকবে, 'Do You Want Search Engines Outside of Facebook to Link to Your Profile'। এই অপশনটিতে ক্লিক করে তা বন্ধ করে দিন।

এখন আপনার ফেসবুক প্রোফাইলটি অচেনা কারোর পক্ষে খুঁজে পাওয়া খুব একটা সহজ হবে না

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply