sponsor

sponsor

Slider

Categories

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Archive

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Author Details

Templatesyard is a blogger resources site is a provider of high quality blogger template with premium looking layout and robust design. The main mission of templatesyard is to provide the best quality blogger templates which are professionally designed and perfectlly seo optimized to deliver best result for your blog.

Breaking

Fashion

News

Food

Sports

Food

Technology

Featured

Sponsor

ads

Videos

Text Widget

Sample Text

Contact Form

Name

Email *

Message *

Categories

Breaking News

Popular

Responsive Ads Here

Popular Posts

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

» » » এ বছর অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে ,খন্দকার মোশাররফ হোসেন

এ বছর অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে ,খন্দকার মোশাররফ হোসেন


 স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন (এলজিআরডি) ও সমবায় হোমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ সেন বলেছেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ২০১৮ সাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ বছর অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে।

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব বলেন। এ সময় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মাফরূহা সুলতানা, স্থানীয় সরকার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব ইকরামুল হক (অতিরিক্ত সচিব), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। আন্তরিকতার সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে কাজ করলে ২০১৮ সালের মধ্যেই আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে পারব। '

মন্ত্রী তাঁর মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, 'এ মন্ত্রণালয় দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রায় ৮০ শতাংশের ভাগীদার।


জেরুজালেম ইসরায়েলের রাজধানী!বললেন,ট্রাম্প



একদিকে অন্যের ভূমি জবরদখল আর অন্যায্য আবদার ‘সবল’ ইসরায়েলের। অন্যদিকে দশকের পর দশক শোষণ-বঞ্চনা ভোগ আর স্বাধীন রাষ্ট্রের লড়াই ‘দুর্বল’ ফিলিস্তিনের। বিপরীতমুখী এ দুই শক্তির প্রথমটিকেই বেছে নিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ৬ ডিসেম্বর তিনি পবিত্র জেরুজালেম শহরকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এই একতরফা ঘোষণায় আপত্তি জানায় জাতিসংঘ, রাশিয়া, আরব ও মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলোও। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেন, তাঁর সরকার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে না। এটি মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি আলোচনার জন্য সহায়ক নয়। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফ্রান্স ও জার্মানি। গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ট্রাম্পের ঘোষণার সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্পের ঘোষণার নিন্দা করেছে সৌদি আরব, ইরান, সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের এক মুখপাত্র যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ার করে বলেন, এ রকম সিদ্ধান্ত এ অঞ্চলে ‘বিপজ্জনক ফল’ বয়ে আনবে। হামাস ‘দ্বিতীয় ইন্তিফাদা’র ডাক দিয়ে মন্তব্য করে, ট্রাম্পের এই ঘোষণা ‘নরকের দরজা’ খুলে দিল। ফিলিস্তিনের বিভিন্ন শহরে প্রবল প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হয়, মানুষ হতাহত হয়।

এত দিন মার্কিন নীতি ছিল সমঝোতার মাধ্যমে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটের সুরাহা। কিন্তু ট্রাম্প পূর্বসূরিদের সেই ধারাবাহিকতা থেকে সরে এলেন।

গত ১৮ ডিসেম্বর নিরাপত্তা পরিষদে জেরুজালেম প্রশ্নে মিসরের উত্থাপিত খসড়া প্রস্তাবে ১৪টি দেশ পক্ষে ভোট দেয়। শুধু যুক্তরাষ্ট্র ভেটো দেওয়ায় প্রস্তাবটি বাতিল হয়। ২১ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে জেরুজালেম বিষয়ে উত্থাপিত প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বীকৃতির বিপক্ষে ভোট দেয় ১২৮টি দেশ। বিপক্ষে মাত্র ৯টি দেশ। যদিও ৩৫টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে, তবু প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটির আগে তাঁর বিপক্ষে ভোট দিলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা বন্ধের হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। তারপরও বিশ্বসম্প্রদায় ট্রাম্পকে যেভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে, ট্রাম্প বললেই জেরুজালেম ইসরায়েলের রাজধানী হচ্ছে না। শহরটির বর্তমান মর্যাদা অপরিবর্তিতই থাকছে।


এবার বছরের শুরুতেই বাংলাদেশের সামনে না-জেতা ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি জয়ের সুযোগ। ফাইল ছবি
এবার বছরের শুরুতেই বাংলাদেশের সামনে না-জেতা ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি জয়ের সুযোগ। চলছে তারই অনুশীলন। ছবি: প্রথম আলো
২০১৭ সালে ব্যস্ত এক বছর কাটিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। এ বছরও বাংলাদেশের অপেক্ষায় ব্যস্ত সূচি। বাংলাদেশের সামনে আবারও বড় চ্যালেঞ্জ। বিদেশের মাটিতে সামর্থ্যের কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে ২০১৮ সালেও।
জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে দেশের মাঠে খেলে টানা চারটা সিরিজ-টুর্নামেন্ট খেলতে হতে পারে বিদেশে। বাংলাদেশ দলের বছরটা শেষ হবে আবার দেশের মাটিতেই। নভেম্বরে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের। আগামী জানুয়ারিতে আবারও বাংলাদেশে আসবে জিম্বাবুয়ে। 
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মতো বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচি নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু বলা কঠিন। নানা কারণে হুটহাট পাল্টে যায় সূচি। এখন পর্যন্ত ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম), বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ ও টুর্নামেন্ট কমিটির সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী জানুয়ারিতে হওয়ার কথা বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল)। ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। আর অক্টোবর-নভেম্বরে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিপিএল। ২০১৭ সালে জাতীয় লিগ শুরু হয়েছে সেপ্টেম্বরে, শেষ হয়েছে ডিসেম্বরে। ২০১৮ সালেও হয়তো একই সময় অনুসরণ করবে জাতীয় লিগ


জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কথা বলা উচিত হবে না : হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ 

বিএনপি বা অন্য কোন দলের সাথে জোট করার সম্ভাবনার বিষয়টি উড়িয়ে না দিয়ে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বলেছেন, আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টিই হবে বড় ফ্যাক্টর। তিনি বলেন, কারও সাথে নির্বাচনী জোট হবে কিনা সে ব্যাপারে মন্তব্য করার সময় এখনও আসেনি। তবে জাতীয় পার্টি ৩শ’ আসনে এককভাবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। গতকাল (বুধবার) বিকেলে নগরীর রেডিসন বøুতে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে একথা বলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ। জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোটের বিষয়ে স¤প্রতি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফখরুল ইসলাম কী বলেছেন সে সম্পর্কে আমার ধারণা নেই। আপাতত আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে আছি। আগামীতে কী হবে, কিভাবে নির্বাচন হবে সে সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি নির্বাচনে ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সবাই আমাদের চাচ্ছে। কিন্তু আমরা কোথায় যাব, কিভাবে নির্বাচন করবো, সেটা নির্ভর করবে আমাদের উপর। আমাদের কর্মীদের উপর, নেতাদের উপর। আমরা সিদ্ধান্ত নেব কিভাবে নির্বাচন করবো। কারও সাথে নির্বাচনী জোট করার সময় এখনও আসেনি।
জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এখন কথা বলা উচিত হবে না মন্তব্য করে এরশাদ বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী দল। আমরা সংগঠিত হচ্ছি। আমাদের ৩শ’ প্রার্থী আছে। তবে কতজন প্রার্থী জয়ী হতে পারবে সে সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত নই। আমাদের কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। আমার মনে হয় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমরা ভাল করবো। নির্বাচন কমিশনের জন্য রংপুর সিটি নির্বাচন বড় পরীক্ষা ছিল উল্লেখ করে এরশাদ বলেন, সেই পরীক্ষায় নির্বাচন কমিশন উত্তীর্ণ হয়েছে। রংপুরে আদর্শ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। আমার মনে হয় বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সুষ্ঠু নির্বাচন হলো।

দেশের যুবসমাজে অসন্তোষ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারণ যুবকদের কর্মসংস্থান নেই, বিনিয়োগ নেই। তাই যুবসমাজ বিপথে চলে যাচ্ছে। অনেকে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। এটা আমাদের জন্য সুখকর নয়। জাতির জন্য লজ্জাজনক কথা, শিক্ষিত যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে না পারলে সমাজে যে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে তা আরও বৃদ্ধি পাবে। এসময় সংসদ সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, মাহজাবীন মোরশেদ এমপি, মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। একটি ব্যাংকের সভা ও কয়েকটি সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গতকাল চট্টগ্রাম আসেন এরশাদ।
শত শত পাচার হচ্ছে রোহিঙ্গা নারী

২০ ডিসেম্বর বেলা ২টা। উখিয়া টিএনটি এলাকায় যানবাহন তল্লাশিকালে সেনাবাহিনী সদস্যরা আটক করেন এক রোহিঙ্গা কিশোরী ও কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলের এক কর্মচারীকে। তল্লাশির একপর্যায়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী একজন অপরজনকে না চেনার ভান করেন। উভয়ে বাংলাদেশি পরিচয় দেন। কিন্তু সেনা সদস্যদের জেরার মুখে বেরিয়ে আসে প্রকৃত সত্য। উক্ত হোটেল কর্মচারী কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার মো. আনোয়ার (৪০) ওই রোহিঙ্গা কিশোরীকে হোটেলে অনৈতিক কাজ করতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে তাদের উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরীর ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে উক্ত রোহিঙ্গা কিশোরীকে অভিভাবকের জিম্মায় ও পাচারকারী হোটেল কর্মচারীকে ১৫ দিনের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৮ ডিসেম্বর দুপুর ১টার দিকে উখিয়ার একই এলাকায় সেনা তল্লাশি চৌকির সদস্যরা যাত্রীবাহী যানবাহন তল্লাশি চালিয়ে কুতুপালংয়ে পারভীন (১৩) নামের এক রোহিঙ্গা কিশোরীকে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় আটক করেন। এ সময় পাচারকাজে জড়িত থাকার অভিযোগে সঙ্গীয় হাসিনা বেগমকে (৩৫) আটক করা হয়। হাসিনাকে পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দিয়ে জেলে প্রেরণ করা হয়। প্রশাসনের সূত্র মতে উক্ত পুরনো রোহিঙ্গা হাসিনা সংঘবদ্ধ নারী ও শিশু পাচারকারী চক্রের সদস্য। ইতিপূর্বে তিনি এ ধরনের বেশ কয়েক রোহিঙ্গা নারী-শিশু পাচারের সঙ্গে জড়িত।

১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় অটোরিকশাযোগে বালুখালী-১ রোহিঙ্গা শিবির থেকে পাচার করে নিয়ে যাওয়ার সময় উখিয়া সেনা তল্লাশি চৌকিতে সেনা সদস্যরা খালেদা বেগম (১৭) নামের এক রোহিঙ্গা কিশোরীকে উদ্ধার করেন। এ কিশোরীকে পাচার কাজে জড়িত থাকায় একই গাড়ি থেকে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি এলাকার মুফতি রফিকুল ইসলাম (৩৫) ও খুলনা জেলার পাইকগাছার বেতবুনিয়া এলাকার মৌলানা মো. হারুনুর রশিদকে (৩৭) আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে রোহিঙ্গা কিশোরীকে অভিভাবকের জিম্মায় এবং উক্ত দুই হুজুরকে সাত মাস করে কারাদণ্ড দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে।

৩০ নভেম্বর জয়পুরহাটের পাঁচ বিবি সীমান্ত থেকে ভারতে পাচারকালে বিজিবি সদস্যরা আয়েশা খাতুনকে (৩০) আটক করেন। তিনি কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের আশ্রয়গ্রহণকারী সদ্য আসা রোহিঙ্গা। একই দিন ঢাকার ডেমরায় একটি বাসা থেকে সেতারা বেগম (১৫), জাহেদা বেগম (১৬), ও তার মেয়ে শফিকাকে (৬) পুলিশ আটক করে। তাদের মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে উখিয়া বালুখালী ও জামতলী আশ্রয় শিবির থেকে পাচারকারীচক্র নিয়ে গিয়েছিল। এ সময় দুই দালালকে আটক করা হয়। উদ্ধার রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের উখিয়া আশ্রয় শিবিরে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

গত সপ্তাহে কক্সবাজার জনশক্তি ও অভিবাসন অফিস থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ নতুন আসা দুই রোহিঙ্গা তরুণী সেতারা বেগম ও নাজিবা বেগমকে আটক করা হয়। তাদের পাসপোর্ট দুটি জব্দ করে বাতিল করা হয়। তারা যে শুধু বাংলাদেশি পাসপোর্ট তৈরি করেছিলেন তা নয় এর মধ্যে সৌদি আরবের ভিসাসহ সব কাগজপত্র প্রস্তুত করে ফেলেন। পরে তাদের উখিয়ার আশ্রয় শিবিরে প্রেরণ করা হয়।

এভাবে গত চার মাসে দেশের প্রায় সব এলাকা থেকে কয়েকশ’ নারী ও শিশু উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় কয়েক হাজার রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে। এত তল্লাশি চৌকি, কড়াকড়ির পরও প্রতিদিন নানা কৌশলে পাচারকারীদের সহায়তায় অসংখ্য রোহিঙ্গা নারী, শিশু ও পুরুষ পাচার হয়ে যাচ্ছে।

উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চিকিৎসক জানান, আগস্টের পর থেকে আগমন অব্যাহত থাকা লাখ লাখ রোহিঙ্গার কারণে ইতোমধ্যে উখিয়া-টেকনাফ, কক্সবাজার তো বটেই পুরো দেশের মানুষ কঠিন স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। কারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে এইচআইভি/এইডস, ডিপথেরিয়া, হাম, যক্ষ্মা, গনোরিয়া, সিফিলিসসহ নানা রকম চর্মরোগের প্রকোপ বিরাজমান। এগুলোসহ আরো কিছু রোগ রয়েছে যেগুলো সংক্রামক ও ছোঁয়াচে। তাছাড়া কক্সবাজার পর্যটন এলাকা হিসেবে দেশি/বিদেশি প্রচুর লোকজনের সমাগম ঘটে থাকে। যেভাবে নিম্ন, মাঝারিসহ প্রায় সব ধরনের হোটেল মোটেল, গেস্ট হাউসে রোহিঙ্গা নারীদের অবাধ যৌনাচার চলছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে তা খুবই উদ্বেগজনক। কারণ এসব ছোঁয়াচে রোগ ব্যাধির পাশাপাশি রোহিঙ্গা নারীদের মাঝে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মরণ ব্যাধি এইডস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। অশনাক্ত কি পরিমানের রোগী রয়েছে তা বলা কঠিন। তাই যে কোনো মূল্যে রোহিঙ্গাদের নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে যাতায়াত, অবস্থান আরো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আনা সম্ভব না হলে সারাদেশের মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি ক্রমাম্বয়ে অবনতির দিকে ধাবিত হবে বলে তারা জানান।

উখিয়া উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভায় গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভার সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, প্রতিদিন বিভিন্ন তল্লাশি চৌকিতে অনেক রোহিঙ্গাকে আটক করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। সংঘবদ্ধ চক্র নানা কৌশলে রোহিঙ্গাদের পাচার করে যাচ্ছে। অনেক রোহিঙ্গা নানাভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র দেখিয়ে, জাল পরিচয়পত্র ও অন্যান্য ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে পাচার হচ্ছে।

 তাছাড়া রোহিঙ্গারা নির্দিষ্ট কোনো ঘেরের মধ্যে না থাকায় পাহাড়, জঙ্গল বেয়ে পায়ে হেঁটে ভিন্ন কৌশলে ইচ্ছাকৃতভাবে পাচারের শিকার হচ্ছে। কিছু কিছু এনজিও, আইএনজিওর বিলাসবহুল গাড়িতে কালো গ্লাসে ঢাকা থাকায় ও সংঘবদ্ধ পাচারকারীদের নানা কৌশল, রোহিঙ্গা সর্দার বা মাঝিদের মধ্যস্থতায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পাচার অব্যাহত থাকায় সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এনজিওগুলোর গাড়িতে কালো গ্লাস ব্যবহারে বিধি নিষেধ আরোপসহ তল্লাশির আওতায় আনা ও রোহিঙ্গা মাঝিদের মধ্যে ঘন ঘন রদবদলের সুপারিশ করা হয়।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply