sponsor

sponsor

Slider

Categories

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Archive

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Author Details

Templatesyard is a blogger resources site is a provider of high quality blogger template with premium looking layout and robust design. The main mission of templatesyard is to provide the best quality blogger templates which are professionally designed and perfectlly seo optimized to deliver best result for your blog.

Breaking

Fashion

News

Food

Sports

Food

Technology

Featured

Sponsor

ads

Videos

Text Widget

Sample Text

Contact Form

Name

Email *

Message *

Categories

Breaking News

Popular

Responsive Ads Here

Popular Posts

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

» » চুরি হয়ে গেছে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ভদকা

চুরি হয়ে গেছে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ভদকা

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ভদকা ছিল ডেনমার্কের একটি বারে। তবে সম্প্রতি সে ভদকা মূল্যবান বোতলসহ চুরি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বার কর্তৃপক্ষ।সবচেয়ে দামি হিসেবে দাবি করা সে ভদকার মাত্র এক বোতলেরই দাম ছিল ১৩ লাখ ডলার (১০ কোটি টাকারও বেশি)।ডেনমার্কের পুলিশ বিশ্বের সবচেয়ে দামি ভদকা চুরির এ ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে।
শুধু ভদকাই নয়, ভদকার বোতলটিও অত্যন্ত দামি। সে ভদকার বোতলটি সোনা ও রুপা দিয়ে তৈরি। তবে এর ছিপিটি হীরাসজ্জিত। তাই সব মিলিয়ে অত্যন্ত মূল্যবান সে ভদকা।ক্যাফে ৩৩ বারের মালিক ব্রায়ান আইসবার্গ জানিয়েছেন, বোতলটিতে পলিটিকাল থ্রিলার হাউস অব কার্ডস অনুসারে অলংকৃত।
বার থেকে সেই বোতলটি চুরি হয়ে যাওয়ার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, যে ব্যক্তি বার থেকে বোতলটি চুরি করেছে তার কাছে বারের একটি চাবি ছিল কি-না, তা নিশ্চিত নয় তারা।
বিষয়টির তদন্ত করা হচ্ছে। 

দেশের ফুটবল নিয়ে সাধারণ জনগণের খুব একটা আগ্রহ না থাকলেও ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর খেলা নিয়মিত দেখেন বাংলাদেশের সমর্থকরা। রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সমর্থক অনেক। এদের মত না হলেও জার্মান লিগে একক আধিপত্য বিস্তার করা বায়ার্ন মিউনিখেরও রয়েছে বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী।


মুলার, রোবেন, রিবেরি, লেভানডফস্কিদের অনেক ভক্ত সমর্থক রয়েছে বাংলাদেশেও। নতুন বছরে বাংলাদেশি সমর্থকদের বাংলা ভাষায় শুভেচ্ছা জানিয়েছে জার্মান ক্লাবটি।

এফসি বায়ার্ন মিউনিখের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বছরের শেষ দিনে একটি শুভেচ্ছা বার্তা পোস্ট করা হয়। যাতে লেখা হয়, ‘বায়ার্ন মিউনিখের প্রিয় বাংলাদেশি সমর্থকরা, ২০১৭ সালে আপনাদের অনন্য সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।’

পোস্টের সঙ্গে একটি ছবিও দেয়া হয়েছে যাতে বায়ার্ন মিউনিখের লোগোর পাশে বাংলাদেশের পতাকার ছবি আর তার নিচে বাংলায় লেখা ‘ধন্যবাদ।’ ওয়েবসাইট।


সাধারণ লোকজনের পেঁয়াজ 

আমি পেঁয়াজ বলছি...
সাধারণ লোকজনের ‘অসাধারণ ফুটানি’ এইবার শেষ। এইবার তারা বুঝতে পারছে আমি কী জিনিস। নুন আনতে পান্তা ফুরায়, অথচ সময় নাই অসময় নাই বাড়ির বউ-ঝিকে ঝাড়ি মারে—‘ডাইল বাগার দেও কী দিয়া শুনি? পেঁয়াজ কই? পেঁয়াজ কম থাকে ক্যান? আমি কি ফকির হয়া গেছি? যখন ডাইলে বাগার দিবা আধা মাইল দূর থাইক্যা জানি পেঁয়াজের বাসনা পাই। পেঁয়াজ দিবা গায়েরে হিসাব। দরকার পড়লে খালি পেঁয়াজের তরকারি রান্না করবা!’

কী মেজাজ ছিল! বাবারে! পয়সার গরমে তারা আমাদের ‘পেঁয়াজ’ বলেই মনে করত না। মসলা থেকে আমাদের টেনে সবজির কাতারে নামিয়ে এনেছিল প্রায়। 
মানির মান আল্লায় রাখে। এখন লাফালাফি বন্ধ। পয়সার গরম ঠান্ডা হয়ে গেছে। কেদ্দানি করে সকালে উঠে পান্তার সাথে আমাদের আঙুলের ডগায় দুমড়ায়ে মুচড়ায়ে কচ কচ করে খাওয়াও বন্ধ হয়ে গেছে। বাজারে গেলে এখন ভদ্দরলোকেরাও আমাদের গোনায় ধরে। ধরে, মানে ধরতে হয়। নইলে বাজারের অন্য আইটেমের টাইমলি সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায়।

খুচরা বাজারের কেজিপ্রতি দাম হিসাবে আনলে আল্লাহর রহমতে আমাদের বংশমর্যাদা এখন শেখ, সৈয়দ, মুঘল, পাঠানেরও সাত মাকাম ওপরে। আর গভীরতা তো সাগরের কাছাকাছি। পর্তুগিজ অভিযাত্রী ফার্দিনান্দ ম্যাজেলান নাকি প্রশান্ত মহাসাগরের তল মাপতে দড়ির মাথায় কামানের গোলা বেঁধে ডুবিয়ে দেখছিলেন। গোলা ডুবতে থাকল। ম্যাজেলান দড়ি ছাড়তে থাকলেন। জাহাজের দড়ির গোডাউন খালি হয়ে গেল। কিন্তু তল পাওয়া গেল না।

আমার তল পাওয়ার চেষ্টায় এ পর্যন্ত বহু বেকুব একের পর এক আমার খোসা ছাড়িয়েছে। ঝাঁজের চোটে পোয়া খানিক চোখের পানি ঝরিয়েছে। কিন্তু আমি আপস করি নাই। নিজে ‘নাই’ হয়ে গেছি, কিন্তু তল পেতে দেইনি। আর এখন তো ‘ফকির‍্যা পার্টি’ আমাদের খোসা ছাড়ানোর সাহসই পাবে না।

বাঙালির ভাতের অভাব এখন আগের মতো নাই। কিন্তু পেঁয়াজের অভাব কী পরিমাণ বাড়ছে তা তারা ‘বোন টু বোন’, আই মিন, হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। এখন আর বাঙালি হা-ভাতে নয়। বাঙালি এখন হা-পেঁয়াজে।

বর্তমান বাজারে আমাদের পেঁয়াজ সম্প্রদায়ের মধ্যে দুটো গোষ্ঠী আছে। একটা দেশি। আরেকটা ইন্ডিয়ান।

স্থানীয় গুন্ডাপাণ্ডার চোটপাট বেশি থাকে। লোকাল হওয়ার সুবাদে এলাকায় তারা বহিরাগত ভাড়াটে বাসিন্দাদের চেয়ে দাম পায় বেশি। বঙ্গ সংস্কৃতিতে যার চোটপাট, মানে হ্যাডম, মানে ঝাঁজ যত বেশি, তার দাম তত। তাকে তত বেশি মানুষ ডরায়। দেশি পেঁয়াজ যেহেতু লোকাল, সেহেতু স্থানীয় প্রভাবের কারণে তার ঝাঁজ বেশি। তার চোটপাট বেশি। তাই আইনত তার দাম বেশি। জাতির বিবেকের সামনে তারকাচিহ্নিত প্রশ্ন উঠতে পারে—দাম বেশি মানে কত বেশি?

ধরুন আপনি ছা-পোষা চাকরিজীবী। আপনার ঝাঁজ নাই। হ্যাডম নাই। চোটপাট নাই। উপরি-টুপরি নাই। ‘আউট ইনকাম’ নাই। মাসে এক দিন, মানে বেতন পাওয়ার দিন বা তার পরের দিন বউ-বাচ্চা নিয়ে অ্যামিউজমেন্ট পার্কেটার্কে যান; কোনো কোনো মাসে সাহস করে রুফটপ রেস্টুরেন্টে তাদের নিয়ে খাওয়াদাওয়া করেন। মাসের বাকি দিনগুলো টিফিন ক্যারিয়ার হাতে বাসে ঠাসাঠাসি করে অফিসে যান। একই তরিকায় বাসায় ফেরেন।

আপনার মতো এই লেভেলের ঝাঁজওয়ালা লোক যদি দেশি পেঁয়াজের লোকাল ঝাঁজ হিসাব ছাড়াই টেস্ট করতে যান, তাহলে তো অঙ্ক মিলবে না। আর অঙ্ক না মিললে টের পাবেন ‘হাউ মেনি প্যাডি মেক হাউ মেনি রাইস!’

এক শ টাকার ওপরে পেঁয়াজের কেজি শুনলে অ্যাবাউট টার্ন করা ছাড়া আর কোনো পথ আপনার সামনে থাকবে? ফলে আপনি আমাদের বিকল্প গোষ্ঠীকে খুঁজবেন।

এই ‘বিকল্প’ গোষ্ঠী হলো ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ। তারা ট্রাকে চেপে, কাস্টমসে নানা জায়গায় সেলামি (আসলে আক্কেলসেলামি) দিয়ে বর্ডার পার হয়। তারপর আবার ঘাটে ঘাটে সেলামি দিতে দিতে বাজারে আসে। তাদের দেখতে যতই নাদুশনুদুশ মনে হোক, আসলে তারা অত কাজের না। এমনিতেই বহিরাগত বলে ঝাঁজ মানে চোটপাট কম, তারওপর দীর্ঘ ভ্রমণজনিত হেনস্তা। ফলে তার দাম কম হওয়াটাই স্বাভাবিক। এটা আমরা নিখিল বঙ্গ পেঁয়াজ সম্প্রদায় মেনেও নিয়েছিলাম। কিন্তু সম্প্রতি আমাদের এই গোষ্ঠীও চাটুজ্যে-বাড়ুজ্যের মানসম্মান পেয়েছে। যে পেঁয়াজের দাম ছিল ১৫-২০ টাকা, মাস ছয়েকের ব্যবধানে তার দাম এক শ টাকা ছুঁইছুঁই। মধ্যবিত্তের কপাল ভালো, এখনো রোজার মাস আসেনি। আসলে তারাও বুঝত, পেঁয়াজে ছুলে কত ঘা!

আমি একা না, উইকিপিডিয়াও বলেছে, মানবসভ্যতার ইতিহাসের আদি যুগ থেকেই আমাদের ব্যবহার শুরু। পৃথিবীর প্রায় সবখানে, সব সমাজের রান্নায় আমরা আছি। আমাদের কোষের আকার বড় বলে বিজ্ঞান শিক্ষায় মাইক্রোস্কোপের ব্যবহার ও কোষের গড়ন শেখাতে আমাদের কন্ট্রিবিউশন আছে। অথচ কেউ এত দিন আমাদের মূল্যায়ন করেনি। শেষ পর্যন্ত আমদানিকারক, আড়তদার, মজুতদার, খুচরা ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সরকারের বড় বড় মানি লোকেরা যৌথ প্রযোজনায় আমাদের মান বাড়িয়েছেন। আমাদের জাতে তুলেছেন।

সংসারে আমাদের সীমাহীন গুরুত্বের বিষয়টি বুঝতে পেরে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রেও আমাদের প্রসঙ্গ আনা হচ্ছে। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া এক প্রশ্নপত্রে ট্রান্সলেশন করতে বলা হয়েছে: ‘আজকাল হাতিরপুল কাঁচাবাজারে ১২০ টাকা সের দেশি পেঁয়াজে একটা বড় পরিবার ভালোরূপে চলে যায়। 
সমাজে আমাদের এই প্রতিষ্ঠায় শুনছি সরকার বাহাদুরের কিছু লোকের অবদান আছে। এতে আমরা যারপরনাই বিগলিত হয়েছি। এটুকু সহযোগিতা না পেলে তাদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা হারাতাম। আমাদের আজকের মানসম্মানটুকু না থাকলে তো আর ‘নালতের মিত্তির বলিয়া সমাজে মুখ বাহির করিবার জো-টি থাকিত না।’ এই মান্যগণ্য স্যারদের প্রতি পেঁয়াজ সম্প্রদায়ের ঝাঁজালো সংগ্রামী শুভেচ্ছা থাকল।



ভুলে সেমিতে খেলেছে বাংলাদেশ!


আসর শেষে হয়েছে গত জুনে। প্রায় ছয় মাস পর বিষ্ফরোক এক তথ্য দিল ক্রিকেটের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির ভুল ব্যবহারের কারণেই নাকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে খেলেছিল বাংলাদেশ! দাবী ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির আবিষ্কারক ফ্রাঙ্ক ডাকওয়ার্থ ও টনি লুইসের। ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক কলামে এমনটাই উল্লেখ করেন তারা।
মনে করিয়ে দেওয়া ভালো, সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (২০১৭ সাল) নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ১৮২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। রান তাড়া করতে নেমে ১৬ ওভারে এক উইকেটে ৮৩ রান করে অস্ট্রেলিয়া। এরপরে একটানা বৃষ্টির কারণে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপরে নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দিয়ে সেমিফাইনালে উঠে যায় মাশরাফি-সাকিবরা। আর এই ঘটনার অনেক মাস পরে একে ‘হিসেবের ভুল’ বলছেন স্বয়ং ফ্রাঙ্ক ডাকওয়ার্থ ও টনি লুইস, ‘বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচটায় হিসেব অনুযায়ী জয়ী হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। সে ক্ষেত্রে সেমিফাইনালেও বাংলাদেশ নয়, অস্ট্রেলিয়ার উঠে যাওয়ার কথা। আসরে বাংলাদেশ সেমি ফাইনালে যাওয়াটা ছিল হিসেবের ভুল।’
অবশ্য এই ব্যাপারে নিজেদের যুক্তি উপস্থাপন করেন তারা। সর্বোচ্চ ৩৪ ওভার থেকে সর্বনিম্ন ২২ ওভার পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্যের হিসেব দেন তারা। যেখানে দেখা যায় ম্যাচটি ২২ ওভার হলে লক্ষ্য দাড়ায় ৭৯ রান, যা তখনই পার করে ফেলেছিল অজিরা।
উল্লেখ্য, ওয়ানডে ক্রিকেটের বৃষ্টির এই আইনের ক্ষেত্রে কোনও ফলাফল আনতে হলে দুই পক্ষকে কমপক্ষে বিশ ওভার করে ব্যাট চালাতে হবে। অস্ট্রেলিয়া ১৬ ওভার ব্যাট করলেও ডাকওয়ার্থ ও লুইস দাবি করেন, সেই ম্যাচে নীতিমালা অনুযায়ীই অস্ট্রেলিয়াই জয়ী!
ডাকওয়ার্থ ও লুইস লিখেছেন, ‘বৃষ্টির জন্য ঘন ঘন পরিবর্তিত হচ্ছিল লক্ষ্যের, সেটা প্রতি ওভারেই। ম্যাচটা ৩০ ওভারে নেমে আসলে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য হতো ১২০। আর সেটা ২২ ওভারে নেমে আসলে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য হতো ৭৯, যা তখনই অস্ট্রেলিয়া পার করে ফেলেছিল। আর ম্যাচটা ২২ ওভারে নেমে আসার যে সময় সেটা কাট অফের আগেই ছিল। অর্থাৎ রাত ৯টা ৫১ মিনিটের সময় দুই আম্পায়ার যদি বৃষ্টির খোঁজ না নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পরিবর্তিত লক্ষ্যের হিসেব নিতেন, তাহলেই অস্ট্রেলিয়া বিজয়ী হয়ে যেত।’
সেই ম্যাচে রাত ৮টার সময় খেলা থামিয়ে দিয়ে রাত সাড়ে ৮টায় সেটা পুনরায় শুরু করার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে তা সম্ভব হয়নি। সাড়ে ৮ টায় খেলা হলে অজিদের ইনিংস থেকে সাত ওভার কেটে রাখা হতো শুরুতেই (নতুন লক্ষ্য ১৬৬)! আর বৃষ্টির জন্য এক ওভার করে কমতে কমতে লক্ষ্য কমে যেতো অজিদের। সেক্ষেত্রে কাট অফ সময় ৯টা ৫৯ মিনিটের আগে খেলা শুরু হলেই অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্যটা কমে আসতো অনেক।


২০১৭ সালে যেসব ‘মিথ্যা’কংগ্রেস প্রতিনিধিদের কাছে বলেছেন:: ট্রাম্প!




মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেসব কারণে বিশ্বব্যাপী কুখ্যাত হয়ে উঠেছেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অনর্গল মিথ্যা বলে যাওয়া। এনবিসি নিউজ ২০১৭ সালে ট্রাম্পের মুখ নিসৃত প্রধান কয়েকটি মিথ্যা কথার তালিকা প্রকাশ করেছে।

চ্যানেলটি বলেছে, ২০১৭ সালে ট্রাম্প আমেরিকার জনগণকে বহু মিথ্যা ও অবিশ্বাস্য কল্পকাহিনী শুনিয়েছেন। তিনি বছর শুরুই করেছেন মিথ্যা কথা দিয়ে। তিনি তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে নিয়ে প্রথম মিথ্যা কথা বলেছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যত মানুষ উপস্থিত ছিল এর আগের কোনো প্রেসিডেন্টের শপথ অনুষ্ঠানে তত মানুষ উপস্থিত হয়নি।

এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, ট্রাম্প দ্বিতীয় বড় মিথ্যাটি বলেছেন কংগ্রেস প্রতিনিধিদের কাছে। তিনি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিন্টন লাখ লাখ জাল ভোট পেয়েছেন। অথচ এ ধরনের কোনো প্রমাণ আমেরিকার নির্বাচনি কর্তৃপক্ষ পায়নি।

এনবিসি নিউজ আরো জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউরোপীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের আশ্রয় দেয়ার সমালোচনা করতে গিয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসে বলেন, আমাদের দেশকে নিরাপদ রাখতে হবে এবং আজ রাতে জার্মানি ও সুইডেনে যা ঘটেছে তা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। ট্রাম্পের ওই ঘোষণার পরদিন সুইডেনের একটি পত্রিকা খবর দেয়, ওই রাতে দেশটিতে বিশেষ কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

ট্রাম্পের মিথ্যার তালিকা প্রকাশ করতে গিয়ে এনবিসি নিউজ আরো জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, ট্রাম্প টাওয়ারে তার টেলিফোনালাপে আড়ি পেতেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কিন্তু তার এই দাবি ছিল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এ ধরনের কোনো প্রমাণ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পায়নি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে তার গোপন সম্পর্কের বিষয়টিকে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ বলে উল্লেখ করেছেন অথচ নিরাপত্তা বাহিনীর তদন্তে এই বিষয়টি সম্পূর্ণ সত্য প্রমাণিত হয়েছে।

এনবিসি নিউজের মতে, ট্রাম্প দাবি করেছেন, ট্যাক্স সংস্কার পরিকল্পনায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কিন্তু বাস্তবতা এর সম্পূর্ণ উল্টো।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply